Sunday, May 26, 2013

Banglar Fatakasta Shime




evsjvi dvUv‡K‡ó wQwg

†QvU c`©vi m¤¢vebvgqx Awf‡bÎx wQwg| G‡Zv w`b Zv‡K mevB †QvU c`v©q †`L‡jI Gevi †`L‡e eo c`©vq| eo c`©vi bvwqKv wn‡m‡e AvÍcÖKvk Ki‡Z hv‡”Qb wQwg| ïi“ n‡”Q bZzb wWwRUvj c~Y©‰`N©¨ Pjw”PÎ evsjvi dvUv‡Kó| MvRxKvjy wm‡bwgwWqv cÖ‡hvwRZ QwewU cwiPvjbv Ki‡Qb mv¾v`yi ingvb ev`j| cÖ‡hvRbv Ki‡Qb †hŠ_fv‡e GbAvB cv‡jvqvb, nƒ`q Ges kvnxb| Qwei bvg f‚wgKvq Awfbq Ki‡Qb wPÎbvqK Bwjqvm KvÂb| GQvov Av‡iv Awfbq Ki‡Qb cÖexi wgÎ, bevMZ kvnvbvR wQwg, Gb AvB cv‡jvqvb, wWwRUvj kvnxb, Gm wW nƒ`q, Kvwejv, Avwgi wmivRxmn GKSvK bZzb ZviKv| wm‡bgvi Kvwnbx m¤ú‡K© cwiPvjK e‡jb, KjKvZvi dvUv‡Kó Qwei Av`‡j G Qwei Kvwnbx wbwg©Z n‡q‡Q| Z‡e Zv Aek¨B evsjv‡`‡ki Ave‡n| Kvwnbx‡Z †`Lv hv‡e, gv¯—vb dvUv‡Kó mgv‡Ri Mixe `ytLx‡`i eÜz| bvbv Kvwnbxi ga¨ w`‡q GKmgq †m GKzk w`‡bi Rb¨ ¯^ivó«gš¿x wbe©vwPZ nq| GB mg‡qi g‡a¨ †m †Póv K‡i mgv‡Ri mvaviY gvby‡li AwaKvi‡K cÖwZôv Ki‡Z Ges  RÄvjgy³ †`k Mo‡Z| Avkv KiwQ QwewU `k©K‡`i nƒ`q Rq Ki‡Z m¶g n‡e| 
MZ †iveeevi kvwš—bM‡ii GKwU †i÷z‡i‡›U QwewUi gniZ AbywôZ nq| gniZ Abyôv‡b Dcw¯’Z wQ‡jb Bwjqvm KvÂb, cÖexi wgÎ, Avwgi wmivRx, Qwei cwiPvjK, cÖ‡hvRKmn MY¨gvb¨ e¨vw³eM©| D‡j­L¨, wQwg AwfbxZ bvU‡Ki g‡a¨ wek¦ fv‡jvevmv w`e‡m cÖPvi n‡q‡Q bvUK Ônƒ`q Kve¨Õ hv w`Mš— wUwf‡Z cÖPvi nq| cÖPv‡ii A‡c¶v Av‡Q GKK bvUK ÔfvObÕ| ïwUs †kl ch©v‡q Av‡Q GbwUwfi Rb¨ wbwg©Z †Uwjwdj¥ ÔUvg© KvW©Õ| GQvov i‡q‡Q ÔNvU-ANvUÕ bvgK 104 c‡e©i GKwU avivevwnK bvUK| hv Lye wkMwMiB †h †Kvb GKwU P¨v‡b‡j cÖPvi ïi“ n‡e|

Wednesday, April 17, 2013

বাংলা সনের উদ্ভাবক পণ্ডিত শিরাজী

বাংলা সনের উদ্ভাবক পণ্ডিত শিরাজী




বাংলা সনের উদ্ভাবক পণ্ডিত শিরাজী

বাংলার প্রকৃতি, আবহাওয়া, ঋতুবৈচিত্র্য ও কৃষিকাজের সময়সূচি এখনো বাংলা মাস বা বঙ্গাব্দের সঙ্গে বেশি সঙ্গতিপূর্ণ। আমরা যখন রোদ-বৃষ্টি, ঠাণ্ডা-গরমের কথা বলি তখন ‘কালবৈশাখী’, ‘আষাড়ের বর্ষণ’  ‘শ্রাবণের ধারা’  ‘ভাদ্রের তালপাকা গরম’, ‘শরতের মেঘ’, ‘মাঘ মাসের শীত’ কিংবা ‘ফাল্গুনের হাওয়া’ প্রভৃতি শব্দগুলো ব্যবহার করি। এতেই বোঝা যায় বাংলা সন বা সাল আমাদের জীবনে, ঐতিহ্যে, অভিজ্ঞতার সঙ্গে কীভাবে মিশে আছে।
image_1
অন্তরঙ্গভাবে এই যে বাংলা সালের সঙ্গে মিশে যাওয়া, প্রত্যেক বছর ঢাক-ঢোল পিটিয়ে বাংলা সনকে স্মরণ করা কে উদ্ভাবন করেছিলেন? আমরা যদি এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে যাই তাহলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ইংরেজি ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে।

ওই বছর দিল্লির সিংহাসনে বসেন মুঘল সম্রাট আকবর। আরবি হিজরি সন অনুসারে চলতে থাকে রাজকার্য। অর্থাৎ রাজ্যের হিসাব-নিকাশ, কর্মচারীদের বেতন, খাজনা আদায় প্রভৃতি। একদিন রাজ্যের হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে কয়েক জন সম্রাট আকবরের কাছে গেলেন। বললেন, “মহারাজ আমাদের ধর্ম-কর্ম সম্পর্কিত অনুষ্ঠানে আরবি অর্থাৎ হিজরি সাল ব্যবহার করতে ইচ্ছে হয় না। তাই আপনি আমাদের একটি পৃথক সাল নির্দিষ্ট করে দিন।” এর কিছুদিন পরেই আবার অসন্তোষ দেখা দিলো সম্রাটের রাজস্ব বিভাগের কর্মচারীদের মধ্যে। সম্রাটের কাছে তারা তাদের আবেদনে জানান, জাঁহাপনা সৌর পদ্ধতিতে হিজরি সালের কিছু ত্রুটি এবং চান্দ্র সালের কারণে ফসলের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের সময়কাল নির্দিষ্ট রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এমন অবস্থায় আপনি হিজরি এবং চান্দ্র বর্ষের সমন্বয়ে একটি বিজ্ঞানভিত্তিক নতুন সালের প্রবর্তন করে দিন। যাতে নির্র্দিষ্ট দিন বা সময়ে আমরা জমির খাজনা পরিশোধ করতে পারি।

সম্রাট আকবর ছিলেন রাজ্যের সুশাসক এবং ধর্মমতের ব্যাপারে উদার। বিষয়টির গুরুত্ব তিনি উপলব্ধি করলেন। এটি নিয়ে আলাপ করলেন তার সভাসদ আবুল ফজলের সঙ্গে। আবুল ফজলের পরামর্শে সম্রাট কঠিন এই কাজটি সম্পাদনের দায়িত্ব দিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ সুপণ্ডিত আমির ফতুল্লাহ শিরাজীর ওপর। পণ্ডিত শিরাজী বিষয়টি নিয়ে অনেক গবেষণা করলেন। তারপর হিজরি সালকে অক্ষুন্নণ্ণ ও অপরিবর্তিত রেখে উদ্ভাবন করলেন বাংলা সনের। জমা দিলেন সম্রাটের কাছে। সম্রাট আকবর পণ্ডিত শিরাজীর উদ্ভাবিত বাংলা সনকে গ্রহণ করলেন। সালটা ছিল ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ। তারিখ ১০/১১ মার্চ।
images2
এখানে উল্লেখ্য শিরাজীর প্রচেষ্টায় ৯৬৩ হিজরির মুহররম মাসের শুরু থেকে বাংলা বর্ষের অর্থাৎ ৯৬৩ অব্দের সূত্রপাত হয়। যেহেতু ৯৬৩ হিজরির মুহররম মাস বাংলা বৈশাখ মাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল, সেহেতু তিনি চৈত্র মাসের পরিবর্তে বৈশাখ মাসকেই বাংলা বর্ষের প্রথম মাস হিসেবে বিবেচনা করেন। চৈত্র ছিল শক বা শকাব্দ বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস যা সে সময় বঙ্গে ব্যবহৃত হতো।

আরেকটি মজার ব্যাপার হলো সম্রাট আকবর যখন বাংলা সন প্রবর্তন করেন তখন গ্রেগোরিয়ান বা ইংরেজি সাল এবং হিজরি বর্ষের মধ্যে পার্থক্য ছিল ১৫৫৬Ñ৯৬৩ = ৫৯৩ বছর। এই ৫৯৩-এর সঙ্গে আমরা যদি নতুন বাংলা সন যোগ করি তাহলে বর্তমান ইংরেজি সাল পাবো। কীভাবে, এখন সেটা বলি। নতুন বাংলা সন ১৪২০-এর সঙ্গে ৫৯৩-এর যোগ করলে দাঁড়ায় ১৪২০+৫৯৩ = ২০১৩, অর্থাৎ ইংরেজি ২০১৩ সাল। বাংলা সন গণনার ক্ষেত্রে এত সহজ একটি সমীকরণ আবিষ্কার করার জন্য সালাম আমির ফতুল্লাহ শিরাজী। সালাম সম্রাট আকবর। স্বাগতম বাংলা ১৪২০।

পরিচালনায় আসছেন শাবনূর

অ-  অ+

দেশীয় চলচ্চিত্রের অসংখ্য ছবির হিট নায়িকা শাবনূর এবার পরিচালনায় আসছেন। কয়েক মাস আগে তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার জন্য চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে অনুমোদন পত্রের আবেদন করেন।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শহীদুল ইসলাম খোকন জনান, পরিচালক হিসেবে শাবনূরের নিবন্ধন আগের কমিটি অনুমোদন করেছে। আমি যতটুকু জানি তিনি ছবি নির্মাণ করার জন্য অনুমতিপত্র পেয়েছেন। এক  বছরের ভেতর ছবি নির্মাণ না করলে সেটা বাতিল হবে।
এ বিষয়ে শাবনূর বাংলামেইলকে বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করছি ছবি নির্মাণের। ইচ্ছে করলেই তো সব কিছু হয় না। ছবি নির্মাণের প্রাথমিক কাজগুলো প্রায় শেষ করেছি। সামনের বছর অর্থাৎ ২০১৪ সাল থেকে পরিচালক হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করবো। যদি আমি পরিচালক হিসেবে সফল হই তবে নিয়মিত ছবি নির্মাণ করব। ছবিতে অভিনয় করে যে রকম দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি তেমনি ছবি নির্মাণ করে সে রকম ভালোবাসা পেতে চাই। আশা করি আমি সফল হব।’

বর্ষাকে বিএমডব্লিউ দিলেন অনন্ত


  কিছু দিন আগেও পরস্পরের বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ তুললেও শেষ পর্যন্ত এখন এক সঙ্গেই থাকছেন চলচ্চিত্রে সময়ের আলোচিত জুটি বর্ষা-অনন্ত। দু’জনের মধ্যকার বিরোধ পুরোপুরি মিটে গেছে এবং তারা একেবারে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরে গেছেন। তাই পহেলা বৈশাখে স্ত্রী বর্ষাকে অনন্ত উপহার দিয়েছেন দামি বিএমডব্লিউ গাড়ি।
এ বিষয়ে বর্ষা বাংলামেইলকে বলেন, ‘আমার আরও ব্যবহৃত গাড়ি থাকা সত্ত্বেও সে আমাকে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি দিয়েছে। আমি চমকে গেছি গাড়ি পেয়ে। ভালো লাগছে ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে উপহার পেয়ে।’
তিনি আরও বলেন,  ‘অনন্তের সঙ্গে আমার সম্পর্কের ফাটল ধরেনি এবং এ বিষয়ে কাউকে বলিনি যে তার সঙ্গে সম্পর্ক আমার নেই। তবে আামাদের মাঝে যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল তা এখন নেই। আমরা এখন এক সাথেই আছি।’
বুধবার অনন্তের জন্মদিন। এখন দেখার বিষয় তার প্রিয় মানুষটির জন্মদিনে কী উপহার দেন বর্ষা।
উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ অনন্ত-বর্ষার মধ্যে মনোমালিন্য হলে বিষয়টি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। বর্ষা সবার অজান্তে ভারত চলে গেলে অনন্ত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের ডিভোর্সের কথা জানান। পরে এ বিষয়ে তিনি আর কোনও কথা বলেননি।
সাংবাদিকরা আশা করেছিলেন ভারত থেকে ফিরে বর্ষা এ বিষয়ে কিছু বলবেন। কিন্তু তিনিও দেশে ফিরে নিজেকে আড়াল করে রাখেন। অবশেষে সম্প্রতি তাদের অভিনীত ‘ নি:স্বার্থ ভলোবাসা’ ছবির গানের অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে দুজন সাংবাদিকদের সামনে একসঙ্গে এসে তাদের সম্পর্ক জোড়া লাগানোর বিষয়টি পরিস্কার করেন।

Wednesday, March 13, 2013

ফেনী থেকে ফিরে এলেন গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান

ফেনী থেকে ফিরে এলেন গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান



ফেনী থেকে ফিরে এলেন গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান
নাশকতা এড়াতে ফেনীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফিরিয়ে দিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চের গাড়ি। বুধবার দুপুরে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

গণজাগরণ মঞ্চের এক প্রতিনিধি বাংলানিউজকে জানান, চট্টগ্রামে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র এবং ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকারকে যে কোনো জায়গায় যে কোনো অবস্থায় প্রতিহত করা বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের ঘোষণার কারণে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, “ফেনীর প্রশাসন অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিহত করা ও নাশকতা এড়াতে এ ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে আন্দোলনকারীদের জানিয়েছে।”

এ বিষয়ে ফেনীর পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ বাংলানিউজকে বলেন, “ডা. ইমরান এইচ সরকার ও তার সঙ্গীরা আমার সঙ্গে মতবিনিময় করে চলে গেছেন। কি কারণে তারা ফিরে গেছে আমি তা জানি না। আমরা তাদের ফিরিয়ে দেইনি।”
 
অন্য একটি সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের আলেম ওলামা একরামদের সঙ্গে বৈঠকের আশা ত্যাগ করেনি গণজাগরণ মঞ্চ।

এ লক্ষ্যে বুধবার রাতের ফ্লাইটে চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগসহ অন্য নেতাদের।

এদিকে বিকেলে গণজারণ মঞ্চের মিডিয়া সেল থেকে ব্লগার প্রিতম বাংলানিউজকে বলেন, “গণজাগরণ চত্বরের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি দল আলোচনার জন্য চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছিলেন। চট্টগ্রামে আলেম একরামদের কাছে গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে আলোচনার কথা ছিল তাদের। কিন্তু ফেনী পর্যন্ত পৌঁছানোর পর সেখান থেকে ফেনীর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গাড়িটি ফিরিয়ে দিয়েছে।”

রাস্তায় সন্তান প্রসব : মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র ডাক্তার নেই, বিক্ষুব্ধ জনতার ভাঙচুর

রাস্তায় সন্তান প্রসব : মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র ডাক্তার নেই, বিক্ষুব্ধ জনতার ভাঙচুরসন্তানসম্ভবা এক গৃহবধূ গত মঙ্গলবার নোয়াখালী জেলা শহরের মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে তাঁর সন্তান প্রসবের জন্য ভর্তি হতে আসেন। চিকিৎসক না থাকায় কর্তব্যরত নার্স তাঁকে ভর্তি না করে ফিরিয়ে দেন। এ সময় হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার পর পরই তাঁর প্রসব ব্যথা শুরু হয়। এতে তিনি বাঁধ্য হয়ে রাস্তায় বসে পড়েন। সেখানেই সন্তান প্রসব হয় তাঁর। প্রশ্ন হলো, মা ও শিশু সেবার জন্য যে কেন্দ্র তৈরি করা হলো, সেখানে প্রসূতি কী সেবা পেলেন? জানা যায়, জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র  ল'ইয়ার্স কলোনিতে ১০ শয্যার এই মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রটি ১০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে সন্তান প্রসব ও শিশুদের চিকিৎসার জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি থাকলেও প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও নার্স না থাকায় প্রায়ই মা ও শিশুরা এসে ফিরে যায়। কেন্দ্রটিতে দুজন চিকিৎসক, চারজন নার্সসহ ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ রয়েছে। এ পদগুলোর বিপরীতে একজন নার্স দিয়ে হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছে।

ফলে এখানে কোনো মা ও প্রসূতি সেবা নিতে পারেন না। ল'ইয়ার্স কলোনির বাসিন্দা মাঈন উদ্দিন আহমেদ ফরহাদ জানান, গতকাল সকাল ৮টায় জেলা শহরতলির পূর্ব অশ্বদিয়া গ্রাম থেকে দিনমজুর মো. ফারুকের স্ত্রী শেফালী বেগম প্রসববেদনা নিয়ে মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে আসেন। সকাল ১০টায় সেখানে নার্স রোকেয়া সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। প্রসূতিকে দেখে তিনি 'এখানে কোনো চিকিৎসা হবে না' বলে অন্যত্র চলে যেতে বলেন। এ সময় ওই প্রসূতি হাসপাতালের বাথরুম ব্যবহার করতে চাইলেও নার্স রোকেয়া তা ব্যবহার করতে দেননি। ওই প্রসূতি মা ও শিশুকল্যাণ থেকে বেরিয়ে ১০০ গজ দূরে আসার পর পরই তাঁর প্রসববেদনা শুরু হয়। এ সময় তিনি রাস্ত য় শুয়ে পড়েন। রাস্তাতেই তাঁর একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। পরে লোকজন স্থানীয় রফিক ডাক্তারের বাসায় নিয়ে প্রসূতি ও নবজাতককে সেবা দেয়। বর্তমানে প্রসূতি ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছে। এলাকাবাসী দ্রুত এখানে চিকিৎসক ও নতুন নার্স নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

এ বিষয়ে নার্স রোকেয়া সুলতানা জানান, হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকায় তিনি শেফালীকে অন্যত্র যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে বাথরুম ব্যবহার না করতে দেয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। মা ও শিশুকল্যাণ হাসপাতালের দায়িত্বরত নোয়াখালী পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক আমির হোসেন জানান, এক মাস ধরে এখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার নাসরিন সুলতানা ছুটিতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। এ ছাড়া কর্তব্যরত নার্স প্রসূতির সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে , বুধবার বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তেজিত হয়ে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এসময় তারা কেন্দ্রটির বিভিন্ন রুমের জানালার গ�াস ও দরজা ভাঙচুর করে। এ প্রতিবেদক ভাঙচুর চলাকালীন  সরজমিনে  গিয়ে দেখতে পান, কেন্দ্রটির সকল কক্ষ তালা বন্ধ। দুতলায় অবস্থিত কল্যাণ কেন্দ্রটির কলাপসিবেল গেইটে তালা মারা। সেখানে আবু সুফিয়ান রকি নামে একজন ফার্মাসিষ্ট ও রোকেয়া নামে একজন ভিজিটর ভাঙচুরের সময় বেরিয়ে আসেন। তারা তাদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। তারা বলেন , দীর্ঘদিন থেকে এখানে ডাক্তার নেই। ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন চার্জে থাকলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উত্তেজিত জনতা এ সময় ক্ষোভের সাথে জানান এখানে দীর্ঘদিন থেকে ডাক্তার ও নার্স নেই। একটি সরকারি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের এ বেহাল অবস্থা আর কোন জেলাতে আছে কিনা  তা আমাদের জানা নেই। লাখ লাখ টাকার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকলেও কোন সেবা নেই। তাহলে এই কেন্দ্রটি থেকে গরিব মানুষের লাভ কি? জনগণের টাকায় ডাক্তার ও নার্সেরা বসে বসে বেতন তুলছেন।

আবারও খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

আবারও খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল



আবারও খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

‘অপপ্রচার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দেশের বাদ পড়া শিশুদের আবারও ভিাটমিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আর এর পাশপাশি খাওয়ানো হবে কৃশিনাশক ওষুধ এলবেনডাজল। তবে এ ওষুধ খাওয়াতে হবে ভরা পেটে। খালি পেটে খাওয়ালে সমস্যা দেখা দিতে পারে।’

ভিটামিন এ প্লাস ক্যপসুল ক্যাম্পেইন চলাকালে শিশু মৃতুর গুজবের পর বুধবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা: ক্যাপ্টেন (অব) মজিবুর রহমান ফকির এবং মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ.ফ.ম রুহুল হক এসব তথ্য দেন।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ.ফ.ম রুহুল হকও এমনটি বলেছিলেন।

মঙ্গলবার ক্যাম্পেইন শুরুর পর থেকেই দেশজুড়ে চলে অপপ্রচার। লাখ লাখ শিশু ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল থাওয়া থেকে বিরত থাকে। শিশুর পিতা-মাতারা আতঙ্কিত হলে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। অপরদিকে খালি পেটে এলবেনডাজল খাওয়ানোর কারণে অনেক শিশু সামান্য অসুস্থ হয়ে পড়লে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক চরমে রূপ নেয়।

এ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যপসুল খাওয়ানো হবে।

মঙ্গলবার ছিল “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন”। ওইদিন ছয় মাস থেকে ৫ বছর বয়সী দেশের সব শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল।

ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশপাশি দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সী দেশের সব শিশুকে কৃমি নাশক বড়ি এলবেনডাজল খাওয়ানোরও কথা ছিল।

প্রায় দুই কোটি ১০ লাখের অধিক শিশুকে এ কায়ক্রমের আওতায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো কথা থাকলেও লাখ লাখ শিশু বাদ পড়ে। আর এক কোটি ৬৭ লাখের অধিক শিশুকে কৃমি নাশক বড়িও খাওয়ানোর কথা থাকলেও তারাও বাদ পড়ে।