Monday, March 11, 2013

রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত

রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত


রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিতই রয়েছে। তার কিছুটা শ্বাসকষ্ট হওয়ায় অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছে। তবে তিনি স্বাভাবিকভাবেই কথা বলছেন এবং সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছেন।

একথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির ছেলে নাজমুল হাসান পাপন, এমপি। তিনি বর্তমানে তার বাবার সঙ্গে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে অবস্থান করছেন।

বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে টেলিফোনে নাজমুল হাসান বাংলানিউজকে বলেন, ঢাকায় সিএমএইচ-এ রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থা যেমন ছিলো এখনো ঠিক তেমনটাই রয়েছে। কোনো উন্নতি বা অবনতি হয়নি।

তিনি জানান, চিকিৎসকরা তার কিছু শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়েছেন। সেগুলোর ফলাফল হাতে এলে তার সমন্বিত চিকিৎসা শুরু করবেন।

ফুসফুসে মারাত্মক জীবাণু সংক্রমণ ধরা পড়ায় রাষ্ট্রপতিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়্। রাষ্ট্রপতিপুত্র নাজমুল আহসান জানান, সংক্রমণটির (ইনফেকশন) ধরন বোঝার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

রাষ্ট্রপতির চিকিৎসার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে আরও ৫ ঘণ্টা সময় নিয়েছেন চিকিৎসকরা।  

এর আগে রোববার রাত ১১টা ১০ মিনিটে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় রাষ্ট্রপতিকে।

ককটেল বিস্ফোরণে ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশ পণ্ড, ব্যাপক ভাঙচুর

অ-  অ+
  বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের বিক্ষোভ সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
বিকেলে ৫টার দিকে পর পর ১১টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। এ সময় ১৮ দলের নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
বিকেল ৩টা ৮ মিনিটে সমাবেশ শুরু হয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে জড়ো হয় নেতাকর্মীরা। বিকেলে ৫টার দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য শুরু হয়। এ সময় সমাবেশস্থলে পর পর ১১টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পণ্ড হয়ে যায় সমাবেশে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এ সময় নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষে করে। এ মুহূর্তে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ফকিরাপুর, দৈনিক বাংলার মোড় ও নয়াপল্টনে গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করে। ভাঙচুরে জামায়াত-শিবির কর্মীরা সক্রিয় রয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল-সন্ধ্যা ১৮ দলের হরতাল

অ-  অ+

এসময় সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন বিএনপিরা ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর পরই তিনি মাইকে হরতাল কর্মর্সূচির ঘোষণা দেন।
এর আগে বিকেল ৩টা ৮ মিনিটে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। গণগত্যা, হামলা, মামলা, নির্যাতনে সারাদেশে সহিংসতায় শতাধিক মানুষ নিহত ও নির্যাতিত হওয়া এবং র‌্যাব-পুলিশ ও সরকারি দলের হামলার অভিযোগে এ সমাবেশের ডাক দেয় ১৮ দলীয় জোট।

‘শহীদী মরণে’র নামে শিশুদের ‘আত্মঘাতি’ করার জামায়াতি মিশন

‘শহীদী মরণে’র নামে শিশুদের ‘আত্মঘাতি’ করার জামায়াতি মিশন


‘শহীদী মরণে’র নামে শিশুদের ‘আত্মঘাতি’ করার জামায়াতি মিশন
জামায়াত নিষিদ্ধ হলে জামায়াত কি হারিয়ে যাবে? এই দলের ইতিহাস তা বলে না। আদালতের নির্দেশেই হোক, অথবা সরকারের নির্বাহী আদেশ; জামায়াত নিষিদ্ধ হলে সম্ভাব্য কয়েকটি বিকল্প:

১.    সংবিধান অনুযায়ী দেশে ধর্মীয় রাজনীতি যেহেতু নিষিদ্ধ না, তাই অন্য নামে নতুন দল গঠন করতে পারে জামায়াত।
২.    গোপন দল হিসেবে জামায়াত থেকে যেতে পারে, প্রকাশ্যে তারা যোগ দিতে পারে বিএনপিতে; যেমনটি কমিউনিস্টরা পাকিস্তান আমলে ন্যাপের মাধ্যমে করেছেন।
৩.    জামায়াত পুরোপুরি গোপন দল হিসেবে কার্যক্রম চালাতে পারে, সেক্ষেত্রে তারা এমন নাশকতার পথ বেছে নিতে পারে যাতে সরকার শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে তাদেরকে আবারও জামায়াত নামে রাজনীতি করার সুযোগ দেয়।

কি হলে কি হবে, কি হলে কি হতে পারেÑÑ এরকম আলোচনার সুযোগ অবশ্য এখন কম; কারণ জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়া না হওয়ার বিষয়টি পুরোপুরিই আদালতের এখতিয়ার চলে গেছে, এরইমধ্যে তার শুনানি শুরু হয়ে মুলতবি হয়েছে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত। শুনানি যেহেতু শুরু হয়ে গেছে তাই আগে এর মীমাংসা না হলে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সরকার বিবেচনায় নিতে পারছে না। যদি আদালত শেষ পর্যন্ত জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে, তারপরও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকার নিশ্চয়ই একদিকে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ এবং কিছুটা হলেও তার রাজনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় নেবে। সেই সিদ্ধান্ত জানার আগে তাই অপেক্ষা কিছুটা করতেই হচ্ছে।

নিষিদ্ধ হলে জামায়াত কি করবে, কি করবে না সেই পূর্বাভাস অবশ্য এরইমধ্যে পাওয়া গেছে। নিষিদ্ধ না হলেও একাত্তরে তাদের ভূমিকার কারণে জনপ্রতিরোধের মুখোমুখি হলে প্রকাশ্য এবং নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল হওয়ার পরও জামায়াত কি করতে পারে সাঈদীর রায়ের পর তাও প্রমাণ হয়েছে।

আরও কিছু ঘটনার সঙ্গে অনেকে প্রমাণ হিসেবে জয়পুরহাটের ঘটনা উল্লেখ করছেন, যেখানে সাঈদীর রায়ের পর সহিংস বিক্ষোভে পাঁচবিবি উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ ফোরকান নিহত হন। প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী এলাকার এক ছাত্র ফোরকানের সঙ্গে মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি জানান, সেদিন মিছিল শান্তিপূর্ণ হবে বলেই দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিলো। কিন্তু পাঁচবিবি থানার পাশে গিয়ে কিছু লোক থানা আক্রমণ করে বসে। ওই ছাত্রের ভাষ্যমতে, ফোরকান আক্রমণকারীদের বাধা দেন। সেসময় একটি গুলি তার পায়ে লাগে। এরপর আরও দুটি গুলি লাগে ফোরকানের বুকে এবং পেটে।

এই ঘটনায় অনেকে বলছেন, পুলিশ যখন উত্তেজিত জনতার মধ্যে গুলি করতে বাধ্য হয় তখন সেই গুলির সুনির্দিষ্ট টার্গেট থাকে না। তাই একজনের পায়ে গুলি লাগার পর আবারও বুকে এবং পেটে গুলি লাগার সম্ভাবনা শূণ্য। আর টার্গেট করেই যদি পুলিশ গুলি করবে তাহলে পুলিশ কেনো সেই লোকটিকেই গুলি করবে যে থানার ওপর হামলায় বাধা দিচ্ছে?

তাই পুলিশের বদলে বরং অভিযোগের আঙুল ওঠছে জামায়াতের দিকেই। যারা এরকম অভিযোগ করছেন তারা বলছেন, ওই মিছিলে জামায়াত নিশ্চয়ই সশস্ত্র ছিলো, লাশ ফেলে দেওয়ার নির্দেশনা ছিলো তাদের ওপর। তাই তারা তাদের মধ্যে তাকেই বেছে নিয়েছে যে থানায় আক্রমণের বিপক্ষে ছিলো। এতে একদিকে যেমন থানায় আক্রমণের বাধা দূর হয়েছে, তেমনই তাদের লাশের সংখ্যাও বাড়ানো গেছে।

যতোই দিন যাচ্ছে ততোই স্পষ্ট হচ্ছে সাঈদীর রায়ের প্রতিক্রিয়ায় লাশের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য মরিয়া ছিলো জামায়াত-শিবির। নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর জন্য তৈরি করেই মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। সেই মৃত্যু পুলিশের গুলিতেই হোক, কিংবা নিজ থেকে; জামায়াতের লক্ষ্য ছিলো একটাইÑÑ যতো বেশি সংখ্যক লাশ।

প্রথম আলোর আরও একটি রিপোর্টে তা স্পষ্ট হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী রাজশাহীর গোদাগাড়িতে ৩ মার্চের সংঘর্ষে নিহত হয় ১৫ বছর বয়সী রফিকুল ইসলাম। স্থানীয় আয়েশা সাবের দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলো রফিক। সংঘর্ষের দিন অন্য অনেক মাদ্রাসার মতো আয়েশা সাবের দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রদেরও আগেই ছুটি দেওয়া হয়।

রফিকুল ইসলামের বাবা গোলাম মোস্তফা এবং মা সতুরা খাতুন বলেছেন, ‘ছেলে যাওয়ার সময়ই বলে গেছে সে শহীদ হতে যাচ্ছে। ছেলের মৃত্যুতে আমাদের কোনো কষ্ট নেই। তার মাধ্যমে আমরা বেহেশতে যাবো।’

ওই মাদ্রাসার শিক্ষক রফিকুল ইসলামের বোনের জামাই আব্দুর রাজ্জাক। তিনিও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, তার শ্যালকের শহীদী মরণ হয়েছে। তাই তাকে গোসল ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। তারা কোনো মামলা-মোকদ্দমাও করবেন না।

এভাবে উস্কানি দিয়ে ‘শহীদী মরণে’র লোভ দেখিয়ে মাদ্রাসার শিশু-কিশোরদের সাঈদীকে বাঁচানোর মিছিলে নিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। হয় তাদের উস্কানি দিয়ে এমন অবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়, কয়েকজনের মৃত্যু হয়; অথবা পুলিশের গুলিতে কেউ মারা না গেলে ভেতর থেকে গুলি করে কয়েকজনকে মেরে ফেলা যায়।

শুধু জয়পুরহাট কিংবা রাজশাহী নয়, জেলায় জেলায় জামায়াত মাদ্রাসার কোমলমতি গরিব শিশুদের বিভ্রান্ত করে মিছিলে নামিয়েছে, ‘শহীদী মরণে’র কথা বলে পুলিশের সঙ্গে যুদ্ধ অবস্থায় নিয়ে গেছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের অভিজ্ঞতা বলে, মাদ্রাসার শিশু এবং নারীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহারের কারণে পুলিশ প্রথমে কোনো অ্যাকশনে যেতে পারেনি। এর ফল তারা পেয়েছে পুলিশ সদস্যদের নিহত হওয়ার মতো ঘটনা দিয়ে।

ঘটনার কয়েকদিন পর সবকিছু যখন ঠা-া মাথায় বিচার-বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, তখন স্পষ্ট হচ্ছে অবুঝ শিশু-কিশোরদের ধর্মের নামে আত্মঘাতি করে ফেলেছে জামায়াত। আফসোসের বিষয়, রফিকের মতো মাদ্রাসার ছাত্ররা ভেবেছে ইসলামের জন্য শহীদ হওয়ার মিছিলে নেমেছে তারা। কিন্তু আসলে এটা ছিলো জামায়াতকে বাঁচানোর মিছিল, যে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা-ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগ-লুটপাটের অভিযোগ প্রমাণিত। শিশুরা মিছিলে নেমে জীবন পর্যন্ত দিয়েছে, কিন্তু তারা ইসলামের নামে জামায়াতের ইসলাম এবং নেতাদের আসল রূপের কিছুই জানে না।

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন মঙ্গলবার

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন মঙ্গলবার



ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন মঙ্গলবার
মঙ্গলবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এদিন ছয় মাস থেকে ৫ বছর বয়সী দেশের সব শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক।
মন্ত্রী জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি এদিন ২ থেকে পাঁচ বছর বয়সী দেশের সব শিশুকে কৃমিনাশক বড়ি এলবেনডাজল খাওয়ানো হবে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রায় ২ কোটি ১০ লাখের অধিক শিশুকে এ কার্যক্রমের আওতায় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আর এক কোটি ৬৭ লাখের অধিক শিশুকে কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্যাম্পেইনের দিন কোনো শিশুকে খালি পেটে না আনার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
মন্ত্রী বলেন, “ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানোর পাশাপাশি ‘জন্মের পর পূর্ণ ছয়মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য সবাইকে বলুন’ এ বার্তাটি পৌঁছে দেওয়া হবে।”
আ.ফ.ম রুহুল হক বলেন, “দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, ব্রিজের টোল আদায় কেন্দ্র, বিমানবন্দর রেলস্টেশন, খেয়াঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো অবস্থান করবে।”
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ভিটামিন ‘এ’ ক্যপসুল খাওয়ানোর কারণে রাতকানা রোগ কমে এসেছে। ১৯৮২ সালে বছরে ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ রাতকানা রোগে আক্রান্ত হতো। সেখানে বর্তমানে এই হার নেমে এসেছে শুন্য দশমিক ০৪ শতাংশে।